• শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন
Headline
ভাওয়ালগড় ইউনিয়নে ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের দাবি বিএনপি নেতা রিজভীর: দলের ঐক্যে জোর ত্রিশালে এসএসি-দাখিলের ফলাফলে মিশ্র চিত্র: দুই মাদ্রাসার শতভাগ ফেল, ৬ প্রতিষ্ঠানে মাত্র ১ জন পাস গ্রাম আদালত পরিচালনায় গাজীপুর জেলায় তৃতীয় স্থান অর্জন করলো ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন পরিষদ খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিনে রসুলপুরে বিএনপির দোয়া ও মিলাদ মাহফিল গাজীপুরে বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা ও দোয়া মাহফিল গাজীপুর সদর উপজেলা ফ্যামিলি কার্ড জরিপের ফল প্রকাশ: স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হওয়ায় সন্তুষ্টি মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত আধুনিক আমিরাবাড়ী গড়াই আমার লক্ষ্য”-চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ রকিফুল আলম মাসুদ গাজীপুরের নতুন এসপি জসিম উদ্দিন,শরিফ উদ্দিন হাইওয়ে পুলিশে ভবানীপুরে আ.লীগ নেতার ছেলের বিরুদ্ধে গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণের মামলা প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই নাওজোর এলকায় রমরমা চোরাই তেলের ব্যবসা

ত্রিশালে এসএসি-দাখিলের ফলাফলে মিশ্র চিত্র: দুই মাদ্রাসার শতভাগ ফেল, ৬ প্রতিষ্ঠানে মাত্র ১ জন পাস

হানিফ আকন্দ,ত্রিশাল প্রতিনিধি / ৫২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬

হানিফ আকন্দ,ত্রিশাল প্রতিনিধি:: শিক্ষানগরী হিসেবে পরিচিত ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে এক মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। সামগ্রিক পাসের হার অর্ধশতাংশ পেরোলেও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের ফলাফলে নেমে এসেছে বড় ধরনের বিপর্যয়।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয়ের তথ্য বলছে, এবার উপজেলার দুটি মাদ্রাসার কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। পাশাপাশি আরও ছয়টি প্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র একজন করে শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।

ফলাফল বিপর্যয়ের তালিকায় শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠান দুটি হলো: ধলা দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদরাসা এবং আহম্মদিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা।

অন্যদিকে কেবল ১ জন করে পরীক্ষার্থী পাস করায় লজ্জায় পড়েছে যে ৬টি প্রতিষ্ঠান সেগুলো হলো: সানকিভাঙ্গা জুনিয়র বিদ্যালয়, পূর্ব আমিরাবাড়ী হুসাইনিয়া দাখিল মাদরাসা, মোক্ষপুর আব্দুল মালেক দাখিল মাদরাসা, বাবুপুর নীলের বাজার দাখিল মাদরাসা, রামপুর কাকচর বালিকা দাখিল মাদরাসা এবং আউলটিয়া দাখিল মাদরাসা।

শাখাভিত্তিক ফলাফল:
১. সাধারণ শাখা:* উপজেলার ৫২টি সাধারণ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪,৪৩৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ২,২৯৮ জন এবং ফেল করেছে ২,১৩৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮২ জন। এই শাখার পাসের হার ৫১.৮৫ শতাংশ।

*২. ভোকেশনাল শাখা:* ১১টি প্রতিষ্ঠানের ৫১৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৫০ জন পাস ও ১৬৪ জন ফেল করেছে। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ২৫ জন। পাসের হার ৬৮.০৯ শতাংশ। তিন শাখার মধ্যে এখানেই ফলাফল সবচেয়ে ভালো।

*৩. মাদ্রাসা শাখা:* সবচেয়ে হতাশাজনক ফল মাদ্রাসা শিক্ষায়। ৪৫টি মাদ্রাসার ৯৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ৪১৪ জন পাস করেছে। অকৃতকার্য হয়েছে ৫৫৭ জন। জিপিএ-৫ মাত্র ৭টি। পাসের হার মাত্র ৪২.৬৩ শতাংশ।

এ ধরনের ফলাফল বিপর্যয় স্থানীয় সচেতন মহল এবং শিক্ষানুরাগীদের গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলেছে। শিক্ষা বিশ্লেষকদের অভিমত, যেসব প্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম পাসের হারও রক্ষা করা যায়নি, সেখানে পাঠদান ব্যবস্থার ত্রুটি খুঁজে বের করে অবিলম্বে কঠোর তদারকি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। নতুবা এই অঞ্চলের শিক্ষাখাত আরও পিছিয়ে পড়বে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা