বুধবার(২২ জুলাই) সকাল ১০ টা থেকে এই অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ এবং ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন করা হয়।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেনের উপস্থিতিতে হাজীর মাজার বস্তিতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ও ইন্টারনেট কানেকশন বিচ্ছিন্নকরণ অভিযান পরিচালনায় পুলিশের পাশাপাশি ছিলেন ডেসকো ও ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ।
জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার(ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন,শুধুমাত্র পুলিশের অ্যাকশনের মাধ্যমে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। জায়গাটি মাদক মুক্ত করতে হলে এখানে বিদ্যুৎ,পানি,গ্যাস, ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ও যাদের জমি তাদের এগিয়ে আসতে হবে। সারাদেশে এমন মাদক স্পষ্ট আমি কখনো দেখিনি যেখানে শত শত ঘরে হাজার হাজার মানুষ মাদক সেবন করে। এই জায়গায় পুলিশকে বিব্রত হতে হয়েছে যে কারণে বার বার এখানে অভিযান পরিচালনা করে বর্তমানে অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ডেসকো আমাদের জানিয়েছে এই জায়গার সকল লাইন অবৈধ এবং ওয়াইফাই লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। আমরা সকল সংস্থার সহযোগীতায় মাদকের এই হাট বন্ধ করতে চাই।
এদিকে ডেসকোর এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম নাজিমুল ইসলাম বলেন,ইতিপূর্বে এই এলাকায় আমরা বহুবার ঢুকার চেষ্টা করেছি কিন্তু মাদকসেবীদের জন্য ঢুকতে পারিনি। এখানে হাতে গোনা কয়েকটি লাইন ছাড়া বাকী সব অবৈধ লাইন। এখানে ৭০ শতাংশের উপরে সিস্টেম লস। অবৈধ লাইন বিচ্ছিন্নকরণ অব্যাহত থাকার কথাও বলেন তিনি।