• শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন
Headline
ভবানীপুরে আ.লীগ নেতার ছেলের বিরুদ্ধে গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণের মামলা প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই নাওজোর এলকায় রমরমা চোরাই তেলের ব্যবসা জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়-জয়নাল আবেদীন রিজভী গাজীপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তির চেক বিতরণ মাদক প্রতিরোধে পাড়া-মহল্লায় সামাজিক দুর্গ গড়ে তুলতে হবে-এসপি শরিফ উদ্দিন গাজীপুরে ভূমি অফিসের চার কর্মকর্তা-কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত গাজীপুরে সাংবাদিকদের কর্মশালা: পেশাদারিত্ব, নৈতিক সাংবাদিকতায় আপস নয় গাজীপুরে অসুস্থ নারী শ্রমিককে বাসায় গিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিতে নেপাল যাচ্ছেন সাংবাদিক আবু বকর সিদ্দিক গাজীপুরে অনাড়ম্বর আয়োজনে মাছরাঙা টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

গাজীপুরে এফডিআর সংক্রান্ত সংবাদটি সরকারের উন্নয়ন ভাবনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র: গাজীপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক

Reporter Name / ২৭৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

গাজীপুর প্রতিনিধি:: গাজীপুরে ৬২ কোটি টাকা এফডিআর সংক্রান্ত সংবাদকে “ত্রুটিপূর্ণ তথ্যযুক্ত, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” দাবি করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ড. চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী। তার মতে, এই অপপ্রচার শুধু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নয়, বরং নতুন সরকারের উন্নয়ন দর্শনের বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুর জেলা পরিষদের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় জেলা পরিষদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে ড. ইশরাক বলেন, “গাজীপুর জেলা পরিষদকে একটি আধুনিক ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থাপনার কারণে পরিষদের বিপুল পরিমাণ অর্থ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। আমরা সেই ঝুঁকি কাটিয়ে আর্থিক খাতকে সুশৃঙ্খল করার উদ্যোগ নিয়েছি।”

তিনি ঢাকার একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ব্যাখ্যা দেন যে, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন: এফডিআর স্থানান্তর প্রক্রিয়া যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই সম্পন্ন হয়েছে। অনেক এফডিআর মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল এবং সেগুলো এমন কিছু দুর্বল ব্যাংকে রাখা হয়েছিল যা বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ ছিলো। প্রায় ৩৫ কোটি টাকা ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাংক থেকে সরিয়ে সোনালী ব্যাংকসহ উচ্চ রেটিংপ্রাপ্ত শক্তিশালী ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়েছে। এর ফলে অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি মুনাফাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রশাসক ইশরাক পরিষদের আর্থিক সাফল্যের চিত্র তুলে ধরে দাবি করেন, বর্তমান প্রশাসনের দক্ষ ব্যবস্থাপনায় আমানতের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। তিনি জানান, আগে বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা মোট ৫৫ কোটি টাকার আমানত বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়ে ১১৫ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। অর্থাৎ, সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে জেলা পরিষদের ৫০ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, এমন সাফল্যের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তিরস্কার নয়, বরং পুরস্কৃত করা উচিত।

অপপ্রচারের কারণ উল্লেখ করে ড. ইশরাক অভিযোগ করেন, এ প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কিছু স্টাফ সাম্প্রতিক প্রশাসনিক রদবদলের কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে এই মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছেন। তিনি বলেন, “কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী যারা দীর্ঘকাল অনৈতিক সুবিধা ভোগ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় তারা প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে উঠেছে। তারাই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।”

সংবাদ সম্মেলনের শেষে প্রশাসক পুনর্ব্যক্ত করেন যে, জেলা পরিষদের প্রতিটি আর্থিক কর্মকাণ্ড সরকারি নীতিমালা ও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। যেকোনো অভিযোগ তদন্তে প্রশাসন পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, “আমরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতায় বিশ্বাসী। জনগণের অর্থের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। কোনো অপপ্রচার চালিয়ে জেলা পরিষদের এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে রাখা যাবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা