• সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
Headline
এমপি আক্তারুজ্জামান বাচ্চুর দিকনির্দেশনায় যশরা ইউনিয়নের উন্নয়নে কাজ করতে চান সেলিম মিয়া মাহির সাবেক স্বামী রকিবের নেতৃত্বে নিষিদ্ধ যুবলীগের ঝটিকা মিছিল থেকে পুলিশ হত্যার হুমকি বিজ্ঞান ও সুরের সেতুবন্ধন: রবীন্দ্রসরোবরে সুরকার শেখ সাদীর হাতে বিজ্ঞানী ফজলুল করিম আকন্দের বই ভালুকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উন্নয়ন তদারকিতে সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু গাজীপুরে জমকালো আয়োজনে শহীদ জিয়াউর রহমান গোল্ডকাপের উদ্বোধন গাজীপুরে সাবেক সেনাসদস্যের ওপর হামলা গাজীপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ছাগল, টিন ও প্রাণিখাদ্য বিতরণ ​কাঁঠালের রাজধানী গাজীপুরে ফল মেলার উদ্বোধন করলেন তথ্যমন্ত্রী বরমীতে অবহেলায় নবজাতক মৃত্যুর অভিযোগ ইনসাফ ডায়াগনোস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে ত্রিশালে ৬৫৯ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ

বরমীতে অবহেলায় নবজাতক মৃত্যুর অভিযোগ ইনসাফ ডায়াগনোস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১০ Time View
Update : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:: গাজীপুরের শ্রীপুরের বরমীতে অবস্থিত ইনসাফ ডায়াগনোস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে অবহেলায় নবজাকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে রোগীর স্বজনরা।বিষয়টি নিয়ে মৃত নবজাতকের পিতা মো. সুমন মিয়া শ্রীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তার স্ত্রীর নরমাল ডেলিভারি না হওয়ায় চলতি মাসেন ১২ তারিখ দুপুরে ইনসাফ ডায়াগনোস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানকার ডাক্তাররা বলেন সিজার করতে হবে। পরে ১৮ হাজার টাকায় চুক্তি করে সিজার করলে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। জন্মের পর বাচ্চার অবস্থা অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে যেতে বলেন। তাদের কাছে অক্সিজেন চাইলেও তারা তা দেননি বা কোন অক্সিজেনসহ এম্বুলেন্সও ব্যবস্থা করেননি।
এই অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেলে নিলে তার মৃত্যু হয়। ময়মনসিংহ মেডিকেলের চিকিৎসকরা বলেছেন বাচ্চা অক্সিজেনের অভাবে মারা গেছেন। বিষয়টি নিয়ে হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার কবির হোসেন নিজেদের অক্ষমতা স্বীকার করে বলেন,শুধু আমাদের নয় পুরো বরমীতে নবজাতকের জরুরী মুহুর্তে সেবা দেয়ার ব্যবস্থা নাই। এছাড়াও তাদের অক্সিজেন সংকট বলেও জানান তিনি। অন্যান্য স্বজন ও আশপাশের রোগীরাও বিষয়টি স্বীকার করেছে। তারা জানান,বার বার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অক্সিজেনসহ এম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে দেয়ার কথা বললেও তারা দেননি।
এ ব্যাপারে হাসপাতালের মালিক পলাশ জানান,রোগী তো হাসপাতালেই মারা যাবে আপনার বাড়িতে তো আর রোগী মারা যাবে না। তাছাড়া বিষয়টি সিভিল সার্জন দেখবে আপনি দেখার কে?
বিষয়টি নিয়ে গাজীপুর জেলা সিভিল সার্জন মামুনুর রহমান বলেন,বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এই হাসপাতালে অবহেলার কারণে এর আগেও একাধিক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা