• শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন
Headline
‘স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে শহীদ জিয়া ইতিহাসের দায় শোধ করেছেন’ বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে ও রক্তে মিশে আছেন শহীদ জিয়াউর রহমানের নাম–নবী উল্লাহ নবী ৭০ এমপি বিশেষ পর্যবেক্ষণে,সতর্ক করা হয়েছে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকেও পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ছাত্রদল নেতা আজমাইন প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে ৩ আনসার সদস্য গ্রেফতার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম জাতীয়ভাবে জন্মজয়ন্তীর উদ্বোধন ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী আজ ত্রিশাল আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গাজীপুর জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেলের ভুমিধস জয় ত্রিশাল আসছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অস্বচ্ছল নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ: ৮০ নারীর মুখে হাসি ফোটালো গাজীপুর জেলা পরিষদ

গাসিকের সাবেক প্রশাসকের বিরুদ্ধে করা রিট খারিজ রিটকারীকে জরিমানা

জনতার নিঃশ্বাস প্রতিবেদন / ১২৩ Time View
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

জনতার নিঃশ্বাস প্রতিবেদন::  গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন(গাসিক) ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননা সংক্রান্ত করা রিট খারিজ এবং একই সাথে রিটকারীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন হাইকোর্ট।
গত বৃহস্পতিবার বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি মো. মাহবুব উল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

জানা গেছে, গাজীপুর মহানগরীর চতর বাজার এলাকার বাসিন্দা মো. শহিদুল ইসলাম ২০২১ সালে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, রাস্তা নির্মাণের সময় তাঁর বসতবাড়ির জমির ক্ষতি করা হচ্ছে। ওই রিটের প্রেক্ষিতে আদালত স্থিতাবস্থার আদেশ দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে তিনি আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে একটি ‘কনটেম্পট পিটিশন’ দায়ের করেন। এতে তৎকালীন স্থানীয় সরকার সচিব, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও সিটি মেয়র জায়েদা খাতুনকে বিবাদী করা হয়।

আদালতের পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্ত: পরবর্তীতে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার তথা গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীকে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। আদালতের নির্দেশ মেনে তিনি হাজিরা প্রদান করেন। তদন্তে দেখা যায়, বিভাগীয় কমিশনার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগেই প্রকল্পের অধিকাংশ কাজ আদালতের নির্দেশনা মেনে সম্পন্ন করা হয়েছিল। নির্মাণকাজে বাদীর কোনো স্থাপনার ক্ষতি বা ব্যক্তিগত জমি দখল করা হয়নি।

শুনানি শেষে আদালত পর্যবেক্ষণ করেন যে, বিভাগীয় কমিশনার বা সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ আদালতের কোনো আদেশ অমান্য করেননি। বরং বাদী সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এই মামলাটি করেছেন।

আইনজীবীর বক্তব্য: সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মেনে সব কাজ সম্পাদন করার পরেও বাদী মিথ্যা মামলা করার কারণে বিভাগীয় কমিশনারকে ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজিরা দিতে হয়েছে। এতে আদালত উষ্মা প্রকাশ করেছেন। তিনি আরও জানান, শুনানি শেষে বিবাদী পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত সন্তুষ্ট হয়ে রিটটি খারিজ করেন এবং বাদী শহিদুল ইসলামকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। শুনানির সময় অ্যাটর্নি জেনারেল নিজেও উপস্থিত থেকে আদালতকে সহায়তা করেন।

বিভাগীয় কমিশনারের প্রতিক্রিয়া: আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেন, “আমরা সবসময় দায়িত্ব পালনকালে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করি। আমাদের লক্ষ্যই থাকে নিয়ম-কানুন মেনে সাধারণ মানুষকে সেবা প্রদান করা। আদালতের এই আদেশের মাধ্যমে সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, আদালত সংশ্লিষ্ট সকলকে সরকারি কাজে অহেতুক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করার বিষয়ে সতর্ক করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা