• বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
Headline
মনের ক্লান্তি মেটাতে বর্ষায় ঘুরে আসুন নিকলী হাওরে গাজীপুরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত শিশুদের ওপর পরিবেশ দূষণের প্রভাব মোকাবিলায় গাকৃবিতে নীতি সংলাপ অনুষ্ঠিত ভৈরবের ছনছাড়া এতিমখানায় পল্লী শক্তি ও ড্রিমার্স অর্গ্যানিক হেলথ কেয়ারের দিনব্যাপী ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম গাজীপুর জেলা ও মহানগর কমিটি গঠিত গাজীপুরে গ্রাম আদালত বিষয়ক অংশীজনদের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত আ.লীগের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে গাজীপুরে রিজভীর নেতৃত্বে রাজপথে বিএনপির নেতাকর্মীরা ভবানীপুরে সুটকেস ও বস্তাবন্দী লাশের পরিচয় সনাক্ত, পরকীয়ার জেরে হত্যা-পিবিআই প্রয়াত তিন সাংবাদিকের স্মরণে আলোচনা সভা, দোয়া ও কাঙ্গালী ভোজ গাজীপুরে মাদক নির্মূলে কঠোর বার্তা সড়ক প্রতিমন্ত্রীর

বংশগত হৃদরোগের ঝুঁকিতে আছেন যারা…

Reporter Name / ১১১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৮

বংশগত কারণে হৃদরোগের সমস্যা অনেক মানুষকেই বয়ে বেড়াতে হয়। জেনেটিক কারণে একটি পরিবারের যখন হৃদরোগের ঝুঁকি হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, তখন নিরাপদ থাকার উপায় আছে। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের জার্নাল সার্কুলেশনের এক গবেষণায় বলা হয়, মুষ্ঠিকে দৃঢ়করণ, শারীরিক পরিশ্রম এবং উন্নত কার্ডিও ও রেসপাইরেটরি ফিটনেস মানুষকে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি থেকে দূরে রাখতে পারে।

ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিস স্কুল অব মেডিসিন এর মেডিসিন বিভাগের প্রফেসর এবং প্রধান গবেষক এরিক ইনগেলসন বলেন, এখানে আসল বিষয়টা হলো, শারীরিক শ্রম আসলে মানুষকে হৃদরোগের ঝুঁকি থেকে দূরে রাখতে পারে।

গবেষণায় উপসংহার টানতে বিশেষজ্ঞরা ব্রিটেনের বায়োব্যাংক ডেটাবেজ থেকে ৫ লাখ মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করেন। এ গবেষণায় বেশ কিছু মানুষ অংশ নেন। এরা সবাই বংশগতভাবে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিসের ঝুঁকিতে রয়েছেন। দেখা গেছে, কাজ বা ব্যায়াম করে যারা বজ্রমুষ্ঠির অধিকারী হয়েছেন তাদের করোনারি হার্ট ডিজিসের ঝুঁকি ৩৬ শতাংশ কম। পাশাপাশি অ্যাটরিয়াল ফিব্রিলেশনের ঝুঁকিও তাদের ৪৬ শতাংশ কমে আসে। অন্যদিকে, দুর্বলদের ঝুঁকি অনেকটা বেশি।

গবেষক বলেন, আসলে আমাদের গবেষণার মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকিমুক্ত থাকতে নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যায়াম বা কায়িকশ্রমের কথা বলা হচ্ছে না। তবে এর মাধ্যমে যে সংশ্লিষ্ট রোগ থেকে দূরে থাকা যায় তা নিশ্চিত বোঝা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা